ছোট বেলায় তো আদর,ভালোবাসা,খেলা, খুনসুটি এসবের মধ্যে কেটে যায় ভালোই, কিন্তু ধীরে ধীরে বড় হয় যখন তখনই আসল পরীক্ষা বাবা মায়ের শুরু হয়।বিশেষ করে Broken family যাদের তাদের তো একটা challenge.
শিশু, কার না ভাল লাগে, সবাই আমরা কম বেশি ভালোবাসি। কিন্তু আমরা যারা বাবা মা হয়েছি তারা জানি কতটা কঠিন শিশুকে জন্ম দেওয়ার পর মানুষ করা…..
আজকের যুগ বদলেছে অনেক এখন সংসারের আদল পরিবর্তন হয়েছে ছোট সংসার যেখানে বেশিরভাগই বাবা মা নিজের কাজে অনেক ব্যাস্ত। সেখানে শিশু /কিশোর কিশোরী বাবা মায়ের থেকে ন্যানিকেই বেশি পছন্দ করে বেশি দেখে এমতাবস্থায় বুঝতে পারছেন কতটা পরিস্হিতি জটিল।
এই ব্যাবস্থাই বলুন আর পারিপার্শ্বিক অবস্থা সেখানে দাড়িয়ে মনে হয় আমাদের সব বাবা-মাকে কতগুলো কথা মাথায় রাখতেই হবে।
১. সবার প্রথমেই হল সময় যেটারই খুব অভাব এখন। শিশু কে শিশু অবস্থা থেকেই সময় দিন। যতটা দিলে শিশু ছোট থেকে ই নিজেকে একা ভাববে না।
২.ছোট থেকেই ওর সাথে এমন ভাবে মিশুন যেন ছোট বেলা থেকেই ও আপনাকে বন্ধু ভাবতে শুরু করে, তাহলে বড় হওয়ার পরে লুকিয়ে ওর সম্পর্কে জানতে না হয়।
৩. শিশুর ছোট বেলা থেকেই ওর যেকোনো কাজে ওকে উৎসাহ দিন ভুল করলেও দেখবেন ওর চেষ্টা আরও অনেক বাড়বে।
৪.ওকে ভালোবাসুন ও যেন আপনার কোলে মাথা রেখে নিজেকে নিরাপদ ভাবে।
৬.ছোট থেকেই ওর সাথে কারুর তুলনা করে বসবেন না এতে ওর আত্মবিশ্বাস ছোট থেকেই ভেঙে যাবে গড়বে না। তুলনা না করে যেটা ও পারছে না সেটা করার উৎসাহ দিন।
৫.ওর সব প্রশ্নএর উত্তর হ্যাঁবাচকে দিন। তাহলে শিশুরও negative চিন্তা ভাবনা কম হবে।
৭. ছোট বেলা থেকেই ওকে লক্ষ্য করুন ওর কি করতে ভালো লাগে কি ভালো লাগে না ইত্যাদি।এতে কোন বিষয়ে ওর আগ্রহ বুঝতে পারবেন।
৮.একটু বড় হলেই ছেলে মেয়ে উভয়কেই good touch, bad touch শেখান আজকের যুগে খুব জরুরি এটা।
৯.বয়ঃসন্ধি কাল শুরু হওয়ার পরে ওদের আরও দেখার দরকার হয় কারণ এই সময় শরীরের সাথে মনের ও অনেক পরিবর্তন আসে। ছেলেই হোক বা মেয়ে ওর শরীরে এই পরিবর্তনের কারণ খোলামেলা আলোচনা করুন গল্পের ছলে পুরোটা বোঝান। লোকানোর একেবারেই দরকার নেই। লোকালেই কৌতুহল বাড়ে আর সেই কৌতুহলের বশেই ঘটে অনেক দূর্ঘটনা।
ওপরে রইল কিছু parenting tips. যেগুলো দৈনিক জীবনে আমাদের অনেক প্রয়োজনীয়।
